Showing posts with label Religion & Mythology. Show all posts
Showing posts with label Religion & Mythology. Show all posts

Friday, 8 November 2024

Types of Santali Marriage

 

Types of Santali Marriage

Santali marriage is called Bapla'. Santals are forbidden to marry within their same clan. In Santal society, marriage ceremony takes place in bride's house. Child marriage is not practiced in Santal society. In their society, an elder brother can never marry a younger brother's widow wife. The Santals have a custom of giving dowry to bride. This dowry is very small. The amount of this money is three rupees or seven rupees. Again there is a custom of paying sixteen or twenty one rupees.

The average age of marriage for a Santal boy is twenty and for a girl sixteen. There are seven types of marriage:

(1)   Kiring Bihu Bapla- This marriage is also called 'Duar Bapla'. If the boy is suitable for marriage, the burden of finding a bride is given to relatives and friends. The marriage is done by searching for a suitable bride and groom and negotiating a compromise. The daughter is to be brought home as a bride giving dowry.[1] The person who does this mediating work is called a Raibar or matchmaker. The matchmaker has to perform many responsibilities in the management of marriage.

(2)   Gardi Jawa Bapla - In this case, all the arrangements of marriage are made by the girl's father. He brings the boy to his house and has to stay and work for five years without pay. Then they marry and start a new married life.[1]

(3)   Kiring Jawa Bapla- In this case, the girl gets pregnant after engaging in sexual relations with a boy before marriage and neither the boy nor the girl agrees to marry. As a result, the girl inevitably has to marry another boy. In this case the first person has to bear all the dowry and other cost.[1] If the pregnant woman does not agree to disclose the name of the culprit, then a groom is required to be procured for her. If the groom is found in exchange of money and agrees to take care of the girl, they are married. If no groom is found, the future child gets Jag Manjhi's lineage.

(4)   Itut Sindur Bapla - In this case, the boy himself takes up the responsibility of marriage. If he likes a girl and doubts whether she will marry him, the boy forces the girl to wear Sindur. But in this case, a lot of inconveniences is created. In some cases, the marriage is recognized by resolution or penalty.[1]  According to social custom, once a boy puts Sindur or dust on a girl's Sinthi or forehead, then the girl is recognized as the boy's wife.

(5)   Inirbal Bapla - In this case, the girl herself takes up the matter of marriage. After living together, if the boy does not agree to marry the girl, the girl informs the Jag Manjhi of their village and he forcibly moves into the boy's house. If she can accept the torture of the boy's house and live for a while, then she has to be accepted as the wife of the house. Otherwise fine is levied.

(6)    Tunki Dipil Bapla- This type of marriage is held among the poor Santals. In this case the girl is brought to the house without any ceremony. Sindur is given to the girl.[1] The marriage ceremony is not also held at the bride's house.

(7)   Sanga Bapla- This type of marriage is for widows and divorced girls. A man marries the girl following few marriage customs. The dowry is halved in this case. Because according to Santal belief, this girl will be with her first husband again after death. And the second husband will get her only in this life.[1] There is no ceremony at this wedding. Only close relatives attend the wedding.

Saturday, 9 March 2024

বিস্ময়ের প্রাচীন বৃহৎ শিবলিঙ্গ

বিস্ময়ের প্রাচীন বৃহৎ শিবলিঙ্গ 
© পাঁশকুড়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য, রূপেশ কুমার সামন্ত 

কথিত আছে, এক জমিদার বাড়ির মন্দিরে প্রতিষ্ঠার জন্য এই বৃহৎ শিবলিঙ্গটি বহু ক্রোশ দূর থেকে আনা হচ্ছিল। জমিদার বাড়ির কর্মচারীরা শিবলিঙ্গটি কাঁধে করে বহন করছিল। পথিমধ্যে তাঁরা ক্লান্ত হয়ে শিবলিঙ্গটি মাটিতে নামিয়ে রেখে বিশ্রাম করছিল। বিশ্রাম শেষে শিবলিঙ্গটি আবার বহন করতে গেলে কিছুতেই আর কাঁধে তুলতে পারল না। শিবলিঙ্গটি প্রচণ্ড ভারি হয়ে যায়। রাত্রে স্বপ্নাদেশ হয়, বাবা শিব এখানেই অবস্থান করবেন। আর কোথাও যেতে চান না। সেই থেকে গোবিন্দনগর অঞ্চলের পূর্ব রাজনগর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় এই শিবলিঙ্গটি। কালো পাথরের বিরাট আকৃতির শিবলিঙ্গটি দেখলে বিস্ময়ের উদ্রেক হয়। এটি পাঁশকুড়া ব্লকের মধ্যে বৃহৎ শিবলিঙ্গ।

শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠিত রয়েছে আটচালা রীতিতে তৈরি এক প্রাচীন মন্দিরে। দক্ষিণমুখী মন্দিরটির দৈর্ঘ ও প্রস্থ যথাক্রমে ১৩ ফুট ও ১২ ফুট। উচ্চতা ২৫ ফুট। চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি মন্দিরের গর্ভ গৃহের ছাদ খিলানের উপর ভল্ট করা। মন্দিরটি জরাজীর্ণ ও অশ্বত্থ গাছ দ্বারা বেষ্টিত। অশ্বত্থ গাছটি পুরো মন্দিরটিকে এমন ভাবে আচ্ছাদিত করে ফেলেছে যে, একঝলকে এটিকে বিস্ময়কর বৃক্ষমন্দির বলে মনে হবে। 

মন্দিরে নিত্যপূজা হয়। প্রতিবছর বৈশাখী গাজন মেলা হয়। মনস্কামনা পূরণে দূর-দূরান্তের ভক্তরা এখানে আসে। 

পুস্তক- পাঁশকুড়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 
লেখক- রূপেশ কুমার সামন্ত 
প্রাপ্তি স্থান- দিপীকা বুক স্টল, পাঁশকুড়া স্টেশন সংলগ্ন বাজার 
ক্যুরিয়ারে পেতে- 9153099507

Monday, 11 May 2020

বন্ধ হল বেগুনবাড়ির ফলহারিণী কালী পূজা -ভাস্করব্রত পতি



করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ হল বেগুনবাড়ির ফলহারিণী কালী পূজা

https://jugasankha.in/to-prevent-corona-infection-kali-puja-the-fruit-gardener-of-begunbari-was-stopped/


ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : একসময় ‘কলেরা’ রোগের হাত থেকে বেঁচে উঠতে যে পূজোর সূচনা হয়েছিল, সেই পূজো আজ বন্ধ হল ‘কোরোনা’ রোগের হাত থেকে বাঁচতে। এই প্রথম তিনতাউড়ি বেগুনবাড়ির ফলহারিণী কালিপূজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চলতি বছরের জন্য। আগামী ২১ শে মে অমাবস্যার তিথিতে জেলার অন্যতম প্রাচীন এই পূজা বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে পূজা কমিটি। প্রশাসন থেকেও অনুমতি মেলেনি। স্বাভাবিকভাবেই এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন স্থানীয় লোকজন।
মূলত, বাগদী সম্প্রদায়ের মানুষজনের পূজিতা দেবী হলেও আপামর জনসাধারণের কাছে ঘরের দেবী হয়ে উঠেছেন। যেহেতু এবছর কোভিড ১৯ এর বাড়বাড়ন্তের জন্য অত্যধিক জনসমাগম ঠেকাতে পূজা কমিটি বিভিন্ন এলাকায় পোস্টারিং করে জানিয়ে দিয়েছে পূজা বন্ধের ঘোষণা। ফলে এবছর দেবীর সামনে মানত করা পাঁঠাবলিও বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র ঘটস্থাপন করেই পূজার রীতি বজায় করা থাকবে। প্রতিমা তৈরি করে পূজা হবেনা। সাধারণত মশালের আলোয় ঘটোদক হোতো এখানে। এবার সব বন্ধ।
ক্ষীরাই নদীর মধ্যে বেগুনবাড়ি গ্রামে শতাব্দী প্রাচীন এই পূজা চলে আসছে বহুদিন ধরে। শিক্ষক তথা আঞ্চলিক গবেষক রূপেশ সামন্তর কথায়, এই মেলা ২৫০ বছরের পুরনো। গবেষক সুধাংশুশেখর ভট্টাচার্যও সমর্থন করেছেন মেলার বয়স নিয়ে। তবে এখন নতুন রূপে নতুন মন্দিরে পূজিত হচ্ছেন ফলহারিণী কালী। দক্ষিনেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে নতুন মন্দির। জনগনের দেওয়া আর্থিক সহায়তায় এটি নির্মিত। এটি জেলার অন্যতম জনপ্রিয় উৎসব। শুধু পূর্ব মেদিনীপুর নয়, পার্শ্ববর্তী পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড থেকেও প্রচুর মানুষ আসেন।
জনশ্রুতি রয়েছে এই এলাকা কাশীজোড়া রাজবংশের অধীনস্থ ছিলো। তখনকার রাজা রাজনারায়ণ রায়ের ( ১৭৫৬-১৭৭০) রাজত্বকালে দুজন লেঠেল ছিলো। কেউ বলেন , তাঁরা ডাকাত। এঁরা বাগদী বা জেলে সম্প্রদায়ের লোক। সেসময় এলাকায় ব্যাপক ওলাউঠা তথা কলেরা রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়ায়। কিন্তু এই দুই ডাকাত মা কালীর কাছে মানত করে যে, সকলে সুস্থ হয়ে উঠলে ঘটা করে মা কালীর পূজা করবে। অবশেষে এলাকা রোগমুক্ত হতে ঐ দুই ডাকাত ডাকাতি করে মায়ের পূজার্চনা শুরু করে। সেই শুরু। এরপর প্রতিবছর জৈষ্ঠ্য মাসের অমাবস্যার দিন তাঁরা ডাকাতি করে পূজা চালিয়ে যায়। যা আজও চলছে।
পরবর্তীতে কাশীজোড়ার রাজা জমিদান করেন মন্দিরের জন্য। সেটি ছিল শ্মশান এবং বেগুনখেতের পাশে। সেই থেকে নাম হয়ে যায় বেগুনবাড়ির কালী। যদিও এখন সরাইঘাট, পাওবাঁকি এবং বেগুনবাড়ি- এই তিন গ্রামের লোকজন মেলা পরিচালনা করেন। প্রায় একমাস ধরে চলে এই মেলা। গ্রামীন মেলার যাবতীয় চরিত্র ধরে রেখেছে এই মেলা। বিভিন্ন লৌকিক বাদ্যযন্ত্র, খেজুর পাতার টুপি, একতারা, ঢোল, মাদুর, ঝুড়ি, লোহার সামগ্রী সহ জিলিপি, মিস্টি, পেটাই পরোটা এখানে মেলে মেলার দিনগুলোতে।
সন্তানের জন্য যাঁরা মানত করেন তাঁরা অভীষ্ট পূরণ হলে মাটির মূর্তি দিয়ে যায় দেবীর কাছে। তাছাড়া বাতাসার মালা, টাকার মালা দেওয়ার রীতি রয়েছে। পার্শবর্তী হাডডাঙার শিকার উৎসবের চল শুরু হয়েছিল এই ফলহারিণী কালীপূজাকে সামনে রেখেই। যদিও পরিবেশপ্রেমীদের আন্দোলনের জন্য গত কয়েক বছর যাবৎ এই শিকার উৎসব বন্ধ।

Sunday, 27 October 2019

পঞ্চমুণ্ডির আসনের সামনে পূজিতা হন আলুগ্রামের ৩০০ বছরের প্রাচীন কালী



পঞ্চমুণ্ডির আসনের সামনে পূজিতা হন আলুগ্রামের ৩০০ বছরের প্রাচীন কালী
-রূপেশ কুমার সামন্ত, শিক্ষক

     ‘এক ব্যক্তির হাতে পায়ে লোহার শিকল দিয়ে বেড়ি পরানো। বীভৎস তার রূপ। তার হিংস্র আচরণে মানুষ সন্ত্রস্ত। তাকে এনে রাখা হল কালী মায়ের সামনে। ব্রাহ্মণ পরিয়ে দিলেন মন্ত্রপুত বালা। ধীরে শান্ত হয়ে গেল সেই উন্মাদ।’ এই কথাগুলি বলছিলেন উষৎপুর সৌদামিনী বিদ্যামন্দিরের (উ.মা.) শিক্ষক ও পাঁশকুড়ার হাউর গ্রাম পঞ্চায়েতের আলুগ্রামের বাসিন্দা অতনু ব্যানার্জী। তিনি আরও বলছিলেন, ‘আমাদেরকেও অবাক করে এই অলৌকিক ঘটনা। অসংখ্য পাগলকে এই দেবালয়ে নিজের চোখেই সুস্থ হতে দেখেছি’। মনস্কামনা নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে জড়ো হয়। তাঁদের এই বিপুল সমাগমই এলাকাবাসীদের বিশ্বাসের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উড়িষ্যা সহ বিভিন্ন রাজ্যের ভক্তবৃন্দ প্রতি শনি ও মঙ্গলবার পূজার ডালি নিয়ে হাজির হন পাঁশকুড়ার আলুগ্রামের এই শ্মশানকালী মন্দিরে।

ইতিহাসের পথ ধরে
     সে প্রায় ৩০০ বছর আগের কথা। আলুগ্রামের এই এলাকাটি ছিল জল-জঙ্গলে পূর্ণ। বর্তমান দেবালয়ের স্থানেই ছিল ব্রাহ্মণদের শ্মশান। তৎকালীন সময়ে অজানা জ্বরে বহু মানুষের মৃত্যু হতে থাকলো। মৃত্যুর জেরে গ্রাম প্রায় উজাড় হয়ে গেল। আলুগ্রামের বাসিন্দা তথা কুমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অরুন ব্যানার্জী জানালেন, ‘তৎকালীন সময়ে রোগের কারনে গ্রাম প্রায় মানুষ শুন্য হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে এই গ্রামের বেশির ভাগ বাসিন্দাই বাইরে থেকে আগত, এখানকার আদি বাসিন্দা নয়।’ এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য গ্রামের সন্ধ্যা রানী ভট্টাচার্যের পূর্বপুরুষরা উপায় খুঁজছিলেন। এমন সময় গ্রামে হাজির হলেন এক কাপালিক। তিনি তাঁর সাধনার জন্য একটি ব্রাহ্মণ শ্মশানের খোঁজ করছিলেন। মানুষের রোগ মুক্তির জন্য তাঁকে এই ব্রাহ্মণ শ্মশানে সাধনা করতে অনুমতি দান করা হল। তিনিই এই শ্মশানে শুরু করলেন শ্মশান কালীর পূজা। তার পর থেকেই গোটা গ্রাম নাকি রোগ মুক্ত হয়েছিল। সেই থেকেই এই গ্রামে আজও চলছে এই শ্মশান কালীর পূজা।

পঞ্চমুণ্ডির আসন
     দেবী মূর্তির সামনে রয়েছে পঞ্চমুণ্ডির আসন। সেই কাপালিক সাধনার জন্য শ্মশানের উপর বটবৃক্ষ তলে নির্মান করেছিলেন এই পঞ্চমুণ্ডির আসন। সেই বটবৃক্ষ আজও রয়েছে। এই পঞ্চমুণ্ডি আসনের নিচে রয়েছে পাঁচটি জীবের মুণ্ড বা মাথা। সবই স্ত্রী প্রজাতির। একটি নিচু সম্প্রদায়ের আত্মঘাতী মহিলার মাথা, একটি ‘কালনাগিনী’ সাপের মাথা, দু’টো স্ত্রী পেঁচার মাথা, একটি স্ত্রী শেয়ালের মাথা দিয়ে নির্মিত এই পঞ্চমুণ্ডির আসন। এই আসনে বসেই নাকি সেই কাপালিক মোক্ষলাভ করেছিলেন। প্রথা অনুসারে আজও এই আসনে বসে ব্রাহ্মণ পূজা করেন। এখানে প্রতিবছর প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি ছাগল বলি দেওয়া হয়।

মেলা ও অনুষ্ঠান
     পূজা উপলক্ষ্যে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। মেলা বসে। মেলায় প্রয়োজনীয় দ্রব্য ছাড়াও নানান মুখরোচক খাবার বিক্রী হয়। নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পূজার পরের দিনও মেলা-অনুষ্ঠান চলে। বিশেষ আকর্ষণের বিষয় হল- মন্দিরের সামনে রয়েছে প্রায় ৩০ফুট উচ্চতার এক সুউচ্চ শিবের পূর্ণাবয়ব মূর্তি।

পরিচালনা
     পূজাটি গ্রামীন হলেও একটি কমিটি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা হলেন মৃণাল ব্যানর্জী। কমিটিতে রয়েছেন অরুন ব্যানার্জী, হরেকৃষ্ণ জানা, বীরেন গাঁতাইত, বিশ্বজীৎমান্না, কালিপদ নায়েক, বানেশ্বর সামন্ত, রামকৃষ্ণ দাস, নারায়ন জানা ও নিমাই সামন্ত।

পথনির্দেশ
     দক্ষিন-পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়্গপুর শাখায় হাউর ষ্টেশনে নামতে হবে। হাউর ষ্টেশন থেকে দক্ষিনপূর্ব দিকে ২.৫ কি.মি. রাস্তা। যানবাহন হিসাবে টোটো রয়েছে।

বিস্তারিত- এখানে লেখা ও বিবিরণ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। আলুগ্রামের এই শ্মশানকালী সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ পাবেন আগামী ১লা নভেম্বর পাঁশকুড়া থেকে প্রকাশিত ‘সংবাদ আশার দিশারী’ পত্রিকায়।

Monday, 7 October 2019

মূল রামায়ণে দুর্গাপূজার অস্তিত্বই নেই - Ramayan Akalbodhan Durga

--মূল রামায়ণে দুর্গা পূজার অস্তিত্বই নেই-----
লেখক- রূপেশ সামন্ত

রামায়নের রচয়িতা ছিলেন বাল্মিকী। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় সেই মূল রামায়নে অকালবোধন বা শারদীয়া দুর্গা পূজার কোন উল্লেখই নেই। কিন্তু কালিকা পুরাণ ও বৃহদ্ধর্ম পুরাণ থেকে আমরা জানতে পারি, রাম ও রাবণের যুদ্ধের সময় শরৎকালে দুর্গাকে পূজা করা হয়েছিল। ব্রহ্মাই দুর্গার পূজা করেছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল অশুভ শক্তির বিনাশ করার জন্য রামকে সাহায্য করা। কৃত্তিবাস ওঝা তার লেখা রামায়ণে কালিকা পুরাণ ও বৃহদ্ধর্ম পুরাণ এর ঘটনাকে কিছুটা পরিবর্তন করেছিলেন। তার লেখা রামায়ণ থেকে জানতে পারি, রাম নিজেই শরৎকালে দুর্গার বোধন ও পূজা করেছিলেন। সেখানেও উদ্দেশ্য ছিল অশুভ শক্তি বা আসুরিক শক্তি রাবনের বিনাশ।

Sunday, 6 October 2019

Kumari Puja - কুমারী পূজা

----কুমারী মেয়েদের রক্ষা করাই কুমারী পূজার মূল উদ্দেশ্য-----
লেখক- রূপেশ সামন্ত


কুমারী পূজা দুর্গোৎসবের এক বর্ণাট্য অনুষ্ঠান পর্ব। বিশেষত কুমারীকে দেবী দুর্গার পার্থিব প্রতিনিধি হিসেবে পূজা করা হয়ে থাকে।
-----কুমারী পূজা কি?----
কোন কুমারী মেয়েকে দেবী দুর্গার সামনে মাতৃভাবে পূজা করাকে কুমারী পূজা বলে। দুর্গাপূজার মহাষ্টমী পূজার শেষে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আবার কোথাও কোথাও নবমীতেও কুমারী পূজা হয়।
-----পৌরাণিক আঙ্গিক----
একদা কোলাসুর স্বর্গ-মর্ত্য অধিকার করে নিয়েছিল। দেবগন বিপন্ন হয়ে পড়েন। তাঁরা মহাকালীর শরণাপন্ন হন। তখন দেবী পুনর্জন্মে কুমারীরূপে আসেন এবং কোলাসুরকে বধ করেন। তখন থেকেই মর্ত্যে কুমারী পূজার প্রচলন শুরু হয়। লেখক- রূপেশ সামন্ত
----পূজার ‘কুমারী’ হওয়ার যোগ্যতা----
কুমারী পূজার জন্য মেয়েকে ষোল বছরের কম বয়সী হতে হবে। অবশ্যই মেয়েকে অরজঃস্বলা হতে হবে। জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে যে কোন কুমারী মেয়েই কুমারী পূজার যোগ্য হতে পারে। বেশ্যাকুল জাতির কন্যাও কুমারী পূজার ‘কুমারী’ হতে পারে। তবে আগের দিনে মূলত ব্রাহ্মণ কন্যাই পূজিত হত।
----অন্য কোথায় কুমারী পূজা?----
দূর্গা পূজার সময় ছাড়াও কালীপূজা, জগদ্ধাত্রীপূজা এবং অন্নপূর্ণা পূজা উপলক্ষে কুমারী পূজা হয়। এছাড়াও কামাখ্যা শক্তিক্ষেত্রেও কুমারী পূজার প্রচলন রয়েছে। লেখক- রূপেশ সামন্ত
----দার্শনিক তত্বের আলোকে পর্যালোচনা----
কুমারী কন্যা ভবিষ্যতের নারীর বীজাবস্থা মাত্র। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তিনটি শক্তির সমাহার- সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়। এই তিনটি শক্তিই সুপ্ত অবস্থায় কুমারী কন্যার মধ্যে নিহিত রয়েছে। তাই কুমারী কন্যা ছাড়া তিনটি শক্তিই আধারহীন হয়ে পড়বে এবং বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডও অস্তিত্বহীন হবে। বর্তমানের কুমারী কন্যা, যে ভবিষ্যতের নারী, তাকে চোখের মনির মতো রক্ষা করতে হবে বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই। সেই কারনেই দেবীভাব আরোপ করে কুমারী কন্যার সাধনা করা হয়। এক্ষেত্রে কুমারী কন্যা ভোগ্যা নয়, পূজ্যা। বৃহত্তর অর্থে নারীও ভোগ্যা নয়, এই বিষয়টিও প্রতিষ্ঠা করাও উদ্দেশ্য। এ ভাবনায় ভাবিত হওয়ার মাধ্যমে আমরা রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে নিজের স্ত্রীকে ষোড়শীজ্ঞানে পূজা করতে দেখেছি। একজন নারীর শৈশবে রক্ষাকর্তা বাবা-মা, যৌবনে রক্ষাকর্তা স্বামী ও বৃদ্ধাবস্থায় রক্ষকর্তা সন্তান। কিন্তু কন্যাবস্থায় সে অত্যন্ত দুর্বল ও বোধহীন হয়। সংসারে ব্যস্ত মা বা অর্থ উপার্জনে ব্যস্ত বাবার পক্ষে কন্যাসন্তানকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই সে সবচেয়ে অরক্ষিতও হয়। সেই কারনে কুমারী পূজার মাধ্যমে কন্যাকে দেবীভাবে ও শ্রদ্ধাসনে বসানো হয়েছে। ভবিষ্যতের নারীকে রক্ষা করাই উদ্দেশ্য। আবার জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে যে কোন কুমারী মেয়েকেই কুমারী পূজার যোগ্যতা দানের মধ্য দিয়ে সম্প্রীতির দিকটিও তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি কুমারী পূজা মানবাতাবাদী ধর্মাচরন বলেই আমার মনে হয়েছে। লেখক- রূপেশ সামন্ত। ছবি সৌজন্য- বকুল ফুল
তথ্য সূত্র- কুমারী পূজা প্রয়োগ, দেবী পুরান, উইকিপিডিয়া।

Friday, 4 October 2019

Durga Puja Guide Panskura - 2019 - পাঁশকুড়া দুর্গাপূজা গাইড ও পরিক্রমা - ২০১৯



পাঁশকুড়া পূজা পরিক্রমা

 সম্পাদনা- রূপেশ সামন্ত


প্রথম পর্ব
পাঁশকুড়া রেল ষ্টেশন থেকে দক্ষিণ দিকে তমলুক-পাঁশকুড়া বাসরুট বরাবর পরপর চারটি প্যাণ্ডেল ও প্রতিমা দর্শণ করুন-
1.      অগ্রদূত, পাঁশকুড়া পুরাতন বাস স্ট্যান্ড [ষ্টেশন সংলগ্ন ডানদিকে]


2.      ব্যবসায়ী সমিতি, নুতন পাঁশকুড়া বাজার [দক্ষিণ দিকে কিছুটা এগোলেই বাজারের মধ্যে]


3.      যুগযাগৃতি, সুরারপুল [দক্ষিণ দিকে আরও কিছুটা এগোলে সুরার পুল সংলগ্ন]
 

4.      প্রতাপপুর সার্বজনীন, প্রতাপপুর [দক্ষিণ দিকে আরও কিছুটা এগোলে বাংলামোড়ের কাছে]


খাওয়ার ষ্টল- এই পর্বে পাঁশকুড়া পুরাতন বাস স্ট্যাণ্ডে ও সুরার পুলে বহু অস্থায়ী খাওয়ার ষ্টল পাবেন। উল্লেখযোগ্য রেস্টুরেন্টগুলি হল- বাস স্ট্যাণ্ডের ‘সত্যনারায়ণ মিষ্টান্ন ভান্ডার (নটু)’, সুরার পুলের ‘গৌর নিতাই মিষ্টান্ন ভান্ডার’ ও ‘ভোলা ক্যাটারার’।

দ্বিতীয় পর্ব
পাঁশকুড়া রেল ষ্টেশন থেকে পূর্বদিকে রেল আবাসন বরাবর পরপর দুটি প্যাণ্ডেল ও প্রতিমা দর্শণ করুন-
5.      রেল কলোনি, পাঁশকুড়া রেল আবাসন [ষ্টেশন সংলগ্ন পূর্বদিকে]


6.      আমরা ক’জন, ত্রিকোন পার্ক [ষ্টেশন থেকে পূর্বদিকে কিছুটা এগোলেই ত্রিকোন পার্ক পড়বে]




খাওয়ার ষ্টল- এই পর্বে ত্রিকোন পার্কে বহু অস্থায়ী খাওয়ার ষ্টল পাবেন।

তৃতীয় পর্ব
পাঁশকুড়া রেল ষ্টেশন থেকে পশ্চিম দিকে চারুলতা সিনেমা হলের দিক বরাবর একটি প্যাণ্ডেল ও প্রতিমা দর্শণ করুন-
7.      সংগ্রামী সাথী, রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং [পাঁশকুড়া রেলওয়ে লেভেল ক্রসিংয়ের নিকট]


খাওয়ার ষ্টল- এই পর্বে নতুন বাস স্ট্যান্ডে বহু অস্থায়ী খাওয়ার ষ্টল পাবেন। উল্লেখযোগ্য রেস্টুরেন্টগুলি হল- ‘মারহাব্বা’ ও ‘ঘরে বাইরে’।
চতুর্থ পর্ব
পাঁশকুড়া রেল ষ্টেশন থেকে পশ্চিম দিকে বি.ডি.ও অফিসের পর পুরাতন পাঁশকুড়ায় ছয়টি ও মেচোগ্রামে একটি প্যাণ্ডেল ও প্রতিমা দর্শণ করুন-
8.      ত্রিবেনি সংঘ, বালিডাংরি [বালিডাংরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিকট]



9. আপনজন, পি.ডব্লিউ.ডি. মাঠ [কিছুটা এগোলেই পাঁশকুড়া গার্লস হাইস্কুলের পাশে]


  1. 10. ক্যানেল বাজার, পুরাতন পাঁশকুড়া [পাঁশকুড়া থানার নিকট]


11. অগ্রভূমি, পাঁশকুড়া বি.বি. হাইস্কুল মাঠ [পুরাতন পাঁশকুড়া ও মেচোগ্রামের মধ্যে ৬নং জাতীয় সড়ক বরাবর রাস্তার ডানদিকে]


12. ইউথ সোসাইটি, নারান্দা [পুরাতন পাঁশকুড়া ও মেচোগ্রামের মধ্যে ৬নং জাতীয় সড়ক বরাবর রাস্তার বামদিকে]


13. পাঁশকুড়া চৌরঙ্গি মোড়

14. মেচোগ্রাম, ফ্লাইওভার নিকট [মেচোগ্রাম ফ্লাইওওভারের নিকট]






খাওয়ার ষ্টল- এই পর্বে মেচোগ্রামে বহু স্থায়ী ও অস্থায়ী খাওয়ার ষ্টল পাবেন।

বাংলাদেশের ভারত বিরোধিতা: আবেগ না রাষ্ট্রবুদ্ধি?

বাংলাদেশের ভারত বিরোধিতা: আবেগ না রাষ্ট্রবুদ্ধি? ✍️ রূপেশ কুমার সামন্ত  বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে সাম্প্রতিক কালে ভা...